ওটসের পুষ্টিগুণ (Nutrition Value)
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ওটসে সাধারণত নিচে দেওয়া পুষ্টি উপাদানগুলো থাকে:
ক্যালোরি: প্রায় ৩৮৯ কিলোক্যালোরি
প্রোটিন: ১৬.৯ গ্রাম (যা অন্যান্য শস্যের তুলনায় বেশ বেশি)
কার্বোহাইড্রেট: ৬৬.৩ গ্রাম
ফাইবার (আঁশ): ১০.৬ গ্রাম (এর মধ্যে 'বিটা-গ্লুকেন' নামক বিশেষ কার্যকরী ফাইবার থাকে)
ফ্যাট: ৬.৯ গ্রাম
ভিটামিন ও খনিজ উপাদান: ওটসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন B1 (থায়ামিন), ভিটামিন B5, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ এবং ফোলেট থাকে।
ওটস খাওয়ার প্রধান উপকারিতা (Benefits)
ওজন নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী: ওটসে থাকা উচ্চমাত্রার ফাইবার পেটে গিয়ে ফুলে ওঠে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। এর ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে না এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: ওটসের 'বিটা-গ্লুকেন' ফাইবার রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে। এটি ধমনী পরিষ্কার রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে: এর লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Low GI) এবং ফাইবারের কারণে এটি রক্তে হুট করে সুগারের মাত্রা বাড়তে দেয় না। তাই টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ সকালের নাস্তা।
হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: ওটসের দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে, হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
.jpg)
Comments
Post a Comment