একটি মাঝারি সাইজের সেদ্ধ ডিমের (আনুমানিক ৫০ গ্রাম) পুষ্টি উপাদান
ক্যালোরি: প্রায় ৭৭ কিলোক্যালোরি
প্রোটিন: ৬.৩ গ্রাম
ফ্যাট: ৫.৩ গ্রাম (এর মধ্যে ভালো ফ্যাট বা আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে
কার্বোহাইড্রেট: মাত্র ০.৬ গ্রাম (খুবই সামান্য
গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান:
ভিটামিন B12 (Cobalamin): শরীরের শক্তি উৎপাদন এবং স্নায়ুতন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ভিটামিন D: হাড় এবং দাঁত মজবুত করার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
ভিটামিন A: চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।
কোলিন (Choline): এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সেলেনিয়াম ও জিঙ্ক: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বাড়ায়।
লুটেইন ও জেক্সানথিন (Lutein & Zeaxanthin): এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুটি বয়সজনিত কারণে চোখের ক্ষতি হওয়া রোধ করে।
ডিম খাওয়ার প্রধান উপকারিতা:
উচ্চমানের প্রোটিন: ডিমে সব কটি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক পরিমাণে থাকে, যা পেশি গঠনে ও ক্ষয়পূরণে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, যার ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।
ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়: ডিম শরীরে HDL বা "ভালো কোলেস্টেরল" বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
টিপস: ডিমের সাদা অংশে মূলত প্রোটিন থাকে এবং কুসুমে থাকে ফ্যাট, ভিটামিন ও মিনারেল। তাই সম্পূর্ণ পুষ্টি পেতে পুরো ডিমটি খাওয়াই সবচেয়ে ভালো (যদি না চিকিৎসকের কোনো বিশেষ বারণ থাকে)।
.jpg)
Comments
Post a Comment